ডোমকলের ভগিরথপুর–কালুদিয়াড় ফেরিঘাটে ভেঙে পড়ল ফরাশ। বন্ধ হয়ে যায় পারাপার, ভোগান্তিতে পড়েন নিত্যযাত্রীরা। মেরামতে এগিয়ে আসে স্থানীয় ক্লাবের সদস্যরা।
সনজু খাঁন, ডোমকল:
ডোমকল পঞ্চায়েত সমিতির অধীনে থাকা বিভিন্ন ফেরিঘাটে পারাপার সম্প্রতি বিনামূল্যে করে দেওয়ার পর থেকেই রক্ষণাবেক্ষণের অভাব নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। তারই মধ্যে সোমবার সকালে বড় ধরনের সমস্যার মুখে পড়েন ভগিরথপুর–কালুদিয়াড় ফেরিঘাট ব্যবহারকারী সাধারণ মানুষ।
ছবি: নিজস্ব চিত্র
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফেরিঘাটের ফরাশের দুই প্রান্ত আচমকাই ভেঙে পড়ে। এর ফলে সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে যায় নদী পারাপার। হঠাৎ এই ঘটনায় চরম ভোগান্তিতে পড়েন নিত্যযাত্রীরা। বিশেষ করে স্কুলগামী ছাত্রছাত্রীদের সময়মতো বিদ্যালয়ে পৌঁছাতে সমস্যা হয়। পাশাপাশি বাইক ও অন্যান্য যানবাহন নিয়ে নদী পারাপারও বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েন সাধারণ মানুষ।
ছবি: নিজস্ব চিত্র
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ঘাটগুলিতে নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ না হওয়ায় ফরাশগুলি দুর্বল ও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় পৌঁছে গিয়েছিল। সেই কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে তাঁদের দাবি। এছাড়াও ঘাটের আশেপাশে বিপুল পরিমাণ কচুরিপানা জমে থাকায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে এবং পারাপারে অতিরিক্ত বাধা সৃষ্টি হয়।
ছবি: নিজস্ব চিত্র
পরিস্থিতি সামাল দিতে এগিয়ে আসে স্থানীয় কালুদিয়াড় জীবন সাথী ক্লাব-এর সদস্যরা। সোমবার দুপুরে তাঁরা উদ্যোগ নিয়ে ঘাটের আশপাশে জমে থাকা কচুরিপানা পরিষ্কার করেন এবং ভাঙা ফরাশের দুই প্রান্ত আংশিকভাবে মেরামতের কাজ করেন। এর ফলে আপাতত কিছুটা স্বাভাবিক হয় যাতায়াত ব্যবস্থা।
তবে স্থানীয়দের দাবি, শুধুমাত্র অস্থায়ী মেরামত নয়, স্থায়ী সমাধানের জন্য প্রশাসনের দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন। নইলে ভবিষ্যতে আরও বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা থেকে যাবে বলে মত তাঁদের।





