প্রায় এক দশক ধরে চলা দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের শেষে দোষী সাব্যস্ত হল ইসলামপুরের পাহাড়পুর পমাইপুর এলাকার বাসিন্দা সাকিবুল শেখ।

তথ্যানুসারে, ঘটনার পর দ্রুত তদন্তে নেমে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছিলেন তৎকালীন ইসলামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক বিপ্লব কর্মকার। তদন্তের প্রতিটি ধাপ আদালতে প্রমাণ সহকারে তুলে ধরায় মামলাটি শেষ পর্যন্ত পেয়েছে সঠিক দিশা।শনিবার অ্যাডিশনাল ডিস্ট্রিক্ট জুডিশিয়াল স্পেশাল কোর্টের বিচারক জিতেন্দ্র গুপ্তা মামলার রায় ঘোষণা করেন। আদালত সাকিবুল শেখকে ১০ বছরের কঠোর কারাদণ্ডের নির্দেশ দেন। পাশাপাশি ৬০ হাজার টাকা জরিমানা আরোপ করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে দোষীকে আরও ৬ মাসের অতিরিক্ত কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে বলেও জানিয়েছেন বিচারক।

এ ছাড়া, ভিকটিমের পুনর্বাসনের কথা মাথায় রেখে সরকারের পক্ষ থেকে ৩ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করেছে আদালত। এই ক্ষতিপূরণ ভিকটিমের ভবিষ্যৎ সুরক্ষা জন্য গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
মামলায় ভিকটিমের পক্ষে সরকারি আইনজীবী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মুকলেস আহমেদ ও শাহানা পারভীন। তাঁদের যুক্তিতর্ক এবং ধারাবাহিক আইনি প্রস্তুতিই মামলাটিকে শেষ পর্যন্ত সঠিক দিশায় নিয়ে যায়।

দীর্ঘ ১০ বছরের বিচার প্রক্রিয়ার অবসানে অবশেষে কিছুটা স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেছে ভিকটিমের পরিবার। রায় ঘোষণার পরেই আদালত চত্বরে আবেগঘন পরিবেশ সৃষ্টি হয়। এলাকাবাসীর একাংশও এই রায়কে ‘ন্যায়ের বড় জয়’ বলে মন্তব্য করেছেন।
দীর্ঘ পথচলা এবং আইনি লড়াইয়ের পর শেষ পর্যন্ত নাবালিকা ও তার পরিবারের পক্ষে দাঁড়াল বিচারব্যবস্থা—এমনটাই মনে করছে গোটা এলাকা।
